এখন সময় :
,

সোনাগাজীতে প্রধান শিক্ষকের মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিয়ন কারাগারে

জাবেদ হোসাইন মামুন->>>
সোনাগাজীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়ের করা মামলায় দফতরী কাম নৈশ প্রহরী জহির উদ্দিন সুমনকে শুক্রবার দুপুরে কারাগারে পাঠিয়েছে সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ।
সোনাগাজী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসাইন আহম্মদের সাথে বৃহস্পতিবার সকালে দফতরী কাম নৈশ প্রহরী জহির উদ্দিন সুমনের হাতাহাতির ঘটনায় ঘটে। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক হোসাইন আহাম্মদ বাদী হয়ে পিয়ন জহির উদ্দিন সুমনের নামে মডেল থানায় বৃহস্পতিবার রাতে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১০, তাং-১৪-৩-২০১৯ইং। পুলিশ বিদ্যালয় থেকে সুমনকে আটক করে। সে বিদ্যালয় সংলগ্ন সোনাগাজী সরকারী ছাবের পাইলট হাইস্কুলের নৈশ প্রহরি ও উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
প্রধান শিক্ষক হোসাইন আহাম্মদ বলেন, গত কিছুদিন ধরে সুমন নিজে ঝাড়ুনা দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে ঝাড়ু দেয়াতে শুরু করে। কয়েকজন অভিভাবক বিষয়টি দেখতে পেয়ে তারা আমাকে ঘটনাটি অবহিত করে। আমি সুমনকে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ঝাড়ু দেয়াতে নিষেধ করলে সে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। ঘটনার সময় দেখি সুমন দাঁড়িয়ে থেকে বিদ্যালয়ের শ্রেনিকক্ষ দুইজন শিক্ষার্থীকে দিয়ে ঝাড়ু দেয়াচ্ছে। নিষেধ অমান্য করে কেন শিক্ষার্থীদের দিয়ে ঝাড়ু দেয়া হচ্ছে জানতে চাইলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে গালিগালাজ শুরু করে আচমকা এলোপাথাড়ি কিলঘুষি মেরে মাটিতে পেলে দেয়। আমি চিৎকার শুরু করলে বিদ্যালয়ের অপর শিক্ষকরা এগিয়ে তার পিটুনি থেকে আমাকে রক্ষা করে।
তিনি আরো বলেন,২০১৩ সালে সুমনকে পিয়ন কাম নৈশ প্রহরি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রথম কয়েক বছর ভালোভাবে কাজ করলেও গত কয়েক বছর ধরে সে উশৃঙ্খল আচরণ শুরু করে। বিষয়টি বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে অবহিত করা হলে সে আর কখনো করবেনা বলে অঙ্গিকার করে।
 সুমনের পিতা আবুল কালাম জানান, প্রধান শিক্ষক হোসাইন আহাম্মদ গত ১৭ বছর ধরে একই বিদ্যালয়ে কর্মরত রয়েছে। সুমনকে নিয়োগের সময় ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করেছিল। সে টাকা পরিশোধ না করায় প্রায় সে সুমন কে দিয়ে ব্যাক্তিগত কাজ করাতো, গত কিছুদিন থেকে সুমন প্রধান শিক্ষকের ব্যক্তিগত কাজ করতে অসম্মতি জানালে তাকে চাকুরিচ্যুত করার হুমকি দেয়। বিদ্যালয়ের নলকুপটি নষ্ট থাকায় সুমন ঘটনার আগে পানি আনতে যায়,এসময় প্রধান শিক্ষক তাকে না পেয়ে সুমন কোথায় রয়েছে বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে দেখতে বলে। সুমন পানি নিয়ে ফিরে এলে প্রধান শিক্ষক তাকে গালিগালাজ করলে সেও ক্ষিপ্ত হয়ে পাল্টা গালিগালাজ করে। প্রধান শিক্ষককে মারধরের কোন ঘটনা ঘটেনি।ব্যক্তিগত জেদ হাসিল করার জন্য প্রধান শিক্ষক মারধরের নাটক সাজিয়েছে।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নোটিশ :   FeniVision24.com প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

প্রধান সম্পাদক: মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন, সম্পাদক: জহিরুল হক মিলু
ইমেইল : fenivision@gmail.com, মোবাইল: 01823644138, 01841710509
ঠিকানা: ৪৩১ সোনালী ভবন(২য় তলা) ট্রাংক রোড়, ফেনী