এখন সময় :
,

দেশের প্রথম ৬ লেন উড়াল সেতুর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

;

জাবেদ হোসাইন মামুন->>>
ফেনী শহরের মহিপালে দেশের প্রথম ও একমাত্র ছয় লেন উড়াল সেতুর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও সেনা প্রধানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে মহিপাল ফ্লাইওভারের উদ্বোধন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ফেনী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী।ফেনী জেলা প্রশাসক মনোজ কুমার রায়ের সভাপতিত্বে এতে মহিলা এমপি জাহানারা বেগম সুরমা, চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মান্নান, পুলিশের চট্রগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মনিরুজ্জামান, ফেনীর পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজ আহম্মদ চৌধুরীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের জানান, এই ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ের ছয় মাস আগেই সম্পন্ন হয়েছে। মহিপাল ফ্লাইওভার ছয় লেনের হলেও সেতুর নিচের দুই পাশে আরও চার সার্ভিস লেন চালু থাকবে। এটি চালু হলে যানজট নিরসন হবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের ভোগান্তি কমবে এবং এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় বাঁচবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ১ এপ্রিল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ফ্লাইওভারের মূল দৈর্ঘ্য ৬৬০ মিটার, প্রস্থ ২৪ দশমিক ৬২মিটার, সার্ভিস রোডের দৈর্ঘ্য এক হাজার ৩৭০ মিটার,সার্ভিস রোডের প্রস্থ ৭ দশমিক ৫ মিটার, সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ১৬০ মিটার, ১১টি স্প্যান, ফুটপাথের দৈর্ঘ্য ২ হাজার ২১০ মিটার, পিসি গার্ডার ১৩২টি। ওবায়দুল কাদের জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট মহিপালে ১০ লেন সেতুই হচ্ছে। এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ১৮১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন বিভাগ ও মেসার্স আবদুল মোনেম লিমিটড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থার সহযোগী আবদুল মোমেন লিমিটেডের পরিচালক আক্তারুজ্জমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৯ ইঞ্জিনিয়ার কন্সট্রাকশন লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে মহিপাল ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ করা হয়েছে। ২০১৫ সালের নভেম্বরে নির্মাণকাজ শুরু হয়ে প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল ২০১৮ সালের জুনে। প্রায় ছয় মাস আগেই মহিপাল ফ্লাইওভারটির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা জানান, এই ফ্লাইওভার ব্যবহার করে ঢাকা-চট্টগ্রামের গাড়িগুলো দ্রুত গন্তব্যে চলে যেতে পারবে। এতে করে সময় যেমন বাঁচবে, তেমনি যানজটেও পড়তে হবে না। অপরদিকে ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রামগামী ছোট পরিবহন চলাচলের পাশাপাশি মহিপাল হয়ে বৃহত্তর নোয়াখালী ও অন্যান্য দূরপাল্লার রুটের গাড়িগুলো চলাচল করতে পারবে। মহিপাল অংশে আগে যানজট সৃষ্টি হলেও ফ্লাইওভারটি চালু হলে মহিপালে গাড়ির চাপ আগের চাইতে অনেক কমে যাবে বলে তারা আশা করছেন।

নোটিশ :   FeniVision24.com প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

প্রধান সম্পাদক: মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন, সম্পাদক: জহিরুল হক মিলু
ইমেইল : fenivision@gmail.com, মোবাইল: 01823644138, 01841710509
ঠিকানা: ৪৩১ সোনালী ভবন(২য় তলা) ট্রাংক রোড়, ফেনী